ইতিহাস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ইতিহাস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

২৩ অক্টোবর, ২০২১

ইতিহাসবিদ তাজ হাশমির চোখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব

ইতিহাসবিদ তাজ হাশমির চোখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব

ইতিহাসবিদ তাজ হাশমির চোখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব




তাজ হাশমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে এবং তার শাসন ব্যবস্থা সম্পর্কে দিলেন চাঞ্চল্যকর তথ্য। এবং তিনি বলেন শেখ মুজিব এর পতনের জন্য, শেখ মুজিব নিজেই দায়ী। চলুন ইতিহাসবিদ তাজ হাশমির মুখেই শুনি।


বঙ্গবন্ধুর স্বভাব বা বৈশিষ্ট্য
বঙ্গবন্ধু আত্মপ্রচার করতে ভালোবাসতেন, এবং তিনি মুক্তিযুদ্ধের অবদান সম্পর্কে তার নিজের ভূমিকাই বেশি মনে করতেন। তারপর বাকি অংশ তার দলের নেতাকর্মীদের বলে মনে করতেন। সাধারণ মুক্তিযোদ্ধা যারা অন্য দল করে বা আওয়ামীলীগ করেননা তাদের মুক্তিযোদ্ধা বা স্বাধীনতায় তাদের অবদান আছে বলে মনে করেন না। তিনি তার সুবিধা মতো বিচার করতেন, আইন কানুন থাকলেও অনেকেই ছিলেন এর বাহিরে। তাদের অপরাধের কোন শাস্তি হতো না।

বঙ্গবন্ধুর শাসন যা তার পতনের কারণ

বঙ্গবন্ধু এই বিচার ব্যাবস্থার কারনে চুরি ডাকাতি অধিক পরিমাণে বেড়ে যায়। যার ফলে দেশে দুর্ভিক্ষ শুরু হয়, এবং না খেয়ে অনেক মানুষ মারা যায়।

এছাড়াও আওয়ামীলীগের পাতি নেতারা সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। তারা লুটপাট জায়গা জমি বেদখল দিতে থাকে। এর প্রতিবাদ রোধ করতে অস্ত্র নিয়ে টহল দেয়া হয়।

শুধু সাধারণ জনগণ নয় রাষ্ট্রে নিয়োজিত অফসার এবং প্রসাশনেও আওয়ামীলীগ কর্মীদের অন্যায় অত্যাচার ছড়িয়ে পরে। এবং তাদের চাকরি অন্যায়ভাবে ছিনিয়ে নেওয়া হয়। অবশেষে ১৯৭৫ সালের ১৪ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে তার নিজবাড়িতে স্বপরিবারে হত্যার স্বীকার হন। এবং তার রাজত্বের সমাপ্তি ঘটে। 

বিশ্বাস যোগ্যতা

  • বঙ্গবন্ধুর অসংখ্য ইতিহাস জানা গেলেও এই ইতিহাস বা তার শাসন কালটি সম্পূর্ণ গোপন রাখা হয়েছে।
  • বর্তমানে উনার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার মাঝে এই গুনাবলি বিদ্যমান।
  • শেখ হাসিনার অ্যাডভাইজার নিজে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে বলেন তিনি মধ্যযুগীয় স্বৈরাচার দের মতো দেশ শাসন করতেন। 
  • এই কথাগুলো শেখ হাসিনা মিথ্যা প্রমানিত না করে তাজ হাসমিকে ব্যাক্তিগত বা পারিবারিক ভাবে কটুক্তি করেন, তাকে সাইবার অপরাধী, নাস্তিক এবং আইএস বলে আখ্যায়িত করেন। যা তাদের বৈশিষ্ট্য।
  • বর্তমানে এদের কর্মকাণ্ড, স্বৈরাচারী মনোভাব, এবং তাদের বক্তব্য যে তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ এবং দেখানো পথে চলেন। তাদের এই সব কর্মকাণ্ড কর্মকাণ্ডই যেনো তাজ হাশমির কথাগুলোর স্বাক্ষী এবং জলজ্যান্ত প্রমাণ।


২০ অক্টোবর, ২০২১

এ কেমন রাজনীতি খুনিকে দেয় সম্মান আর রাজাকারের ফাঁসি

এ কেমন রাজনীতি খুনিকে দেয় সম্মান আর রাজাকারের ফাঁসি

এ কেমন রাজনীতি খুনিকে দেয় সম্মান আর রাজাকারের ফাঁসি




পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর যখন পূর্ব পাকিস্তানের নিরস্ত্র মানুষের ওপর নির্মম হত্যাযোগ্য চালায়। বাড়ি ঘড় জ্বালিয়ে দেয়, মা বোনদের ধর্ষণ করে। তখন কিন্তু বঙ্গবন্ধুর পরিবার বেশ নিরাপদেই ছিলো এবং পাকিস্তানিদের ভাতা খাচ্ছিলো। 

কিন্তু বঙ্গবন্ধু তখন কারাগারে কেমন ছিল, তার উপর কি অমানবিক নির্যাতন চালানো হচ্ছিল এই ভিডিওটি দেখলে স্পস্ট বুঝতে পারবেন।

ভিডিও ফুটেজটি ১৯৭৪ সালের, পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ভূট্টো খাঁনকে আমন্ত্রণ করে লাল গালিচা সংবর্ধনার। যায মাধ্যমে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মান জানানো হয়। কিন্তু কেন ৩০ লক্ষ মানুষের হত্যাকারিকে শাস্তি নয় সম্মান প্রদান করা হয়েছিল?

৩০ লক্ষ শহীদের, ২ লক্ষ বিরাঙ্গনার এমনকি আপনার পরিবার প্রিয়জন ছেড়ে জেলখানার বন্দী জীবনের কথা ভুলে গেলেন। কিন্তু কেনো?

এর সাথে কি আপনার পরিবারের নিরাপত্তা, পাকিস্তানি ভাতা এবং পাকিস্তানিদের সাথে সমঝোতার কোনোই সম্পর্ক নেই। মুক্তিযুদ্ধের পিছনে আপনাদের কি কোনোই ব্যাক্তিগত সার্থ ছিলোনা। 

অবশ্যই ছিলো, কারণ আমি বলবো ওইটা লাল গালিচা ছিলোনা, আমার শহীদ ভাইয়ের তাজা রক্ত ছিলো। আপনারা সার্থের জন্য সবকিছুই করতে পারেন এবং করেন। যার প্রমাণ আমরা বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ডে যা সম্পূর্ণরূপে প্রতিফলিত হচ্ছে।

সার্থের জন্য আপনারা সবকিছু করতে পারেন তার প্রমাণ। রাজাকারের ফাঁসি আর খুনির লাল গালিচার সম্মান একেবারেই বে মানান।