রাজনীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রাজনীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

২৫ নভেম্বর, ২০২১

উন্নয়ন নয় আমরা আমাদের অধিকার চাই

উন্নয়ন নয় আমরা আমাদের অধিকার চাই

উন্নয়ন নয় আমরা আমাদের অধিকার চাই, কারন সরকারের উন্নয়ন জনগণের কল্যানের জন্য নয়।

উন্নয়ন বলতে আমরা সাধারণ মানুষ যা বুঝি নতুনত্বের ছোয়া, সহজ জীবন যাপন ব্যাবস্থা। আমাদের দেশে যে উন্নয়ন হচ্ছে তা অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে দেখার বিষয় উন্নয়ন টা কার, দেশের, জনগণের নাকি সরকার দলীয় নেতাকর্মীদের। আমরা সবসময় যে উন্নয়নের বাণী শুনি, তা আমাদের জীবনে কি পরিবর্তন এনেছে তার প্রভাব আলোচনা করি।


উল্লেখ যোগ্য উন্নয়ন ও তার প্রভাব


বর্তমান সরকারের উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন গুলো হলোঃ
  • পদ্মা সেতু, 
  • পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, 
  • বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ, 
  • রেল সংযোগ এবং 
  • পায়রা সমুদ্র বন্দর।

প্রভাবঃ পদ্মা সেতু যোগাযোগের উন্নত মাধ্যমে। কিন্তু যোগাযোগ সকলের পেশা হতে পারে না। আমরা সাধারণ মানুষ একস্থান থেকে অন্যস্থানে গেলে আমরা কোনো টাকা পাইনা। আমাদের টাকা খরচ করতে হয়। আমাদের আয়ের উৎস না থাকলে খরচ করবো কিভাবে। বলা হতে পারে যে শ্রম বিনিয়োগ বা ব্যাবসায়িক সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়া হয়েছে। কিন্তু আইনের অপব্যবহারের ফলে শ্রম বিনিয়োগ, ব্যাবসা করছে জনগণ লাভবান হচ্ছে চাদাবাজ, দূর্নীতিবাজ নেতাকর্মী এবং অসৎ প্রশাসন।

পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র যা বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সংকট মোকাবেলা করে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে বাংলাদেশের শিল্প কারখানা প্রসার বা বিপ্লব ঘটাবে। এই উন্নয়নের সুফল সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ কিভাবে পাবে, তাদের অধিকার যদি প্রতিষ্ঠা না করা হয়। আর বিদ্যুৎ বিলের ব্যাপার যারা আগে ২০০ টাকা বিল দিতো তাদের এখন ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট আমাদের দেশের তথ্য প্রযুক্তির নিরাপত্তা দিবে, জনমত প্রকাশের সুযোগ করে দিবে যা দেশের উন্নয়ন বিশেষ ভূমিকা পালন করবে। কিন্তু তথ্য প্রযুক্তি আইনের জন্য মানুষ স্বাধীন মতামত ও সত্য প্রকাশ করতে পারেনা। দালালি, তোষামোদ করার কাজে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। আর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করার পর মোবাইল বিল ২৫ পয়সা থেকে ৩ টাকা মিনিট।

পায়রা সমুদ্র বন্দর দেশের পর্যটন, ব্যাবসা বানিজ্য অর্থনীতির উন্নয়ন, এবং আমাদের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি করবে। পর্যটনের মতো বিলাসিতার জন্য পেটে ভাত আর মনে সুখ থাকা জরুরি। ব্যাবসা বানিজ্যে মাথাপিছু আয় বাড়লেও বাড়ছেনা জনগণের ধনসম্পদ ও সুযোগ সুবিধা। জনগণের বাড়ছে শুধু ঋণ।

অ উল্লেখিত উন্নয়ন ও তার ব্যাখ্যা


বর্তমান সরকারের অ উল্লেখিত উন্নয়ন গুলো হলোঃ 
  • অটো নির্বাচন পদ্ধতি, 
  • সন্ত্রাসের মাধ্যমে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, 
  • সন্ত্রাসী প্রশাসন, 
  • বেগম পাড়া সহ উন্নত দেশে ব্যাবসা বাণিজ্য প্রতিষ্ঠা।

ব্যাখ্যাঃ অটো নির্বাচন পদ্ধতি হলো বিরোধী দলের অনুপস্থিতিতে, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হওয়া, এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীকে বসিয়ে দিয়ে দেশের মানুষের মূল্যবান সময়ের অপচয় রোধ করা এবং জন দুর্ভোগ সৃষ্টি না করা।

সন্ত্রাসের মাধ্যমে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি টি হলো দেশে হত্যা, গুমের পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়ে দেশের জনসংখ্যা কমিয়ে, জনগণকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি করা।

সন্ত্রাসী প্রশাসন বা বৈধ সন্ত্রাস এরা সরকারের নির্দেশ গুম খুন করে, এবং গুম খুনের সহায়তা করে। বিভিন্ন সময় জনগণের উপর অন্যায় অত্যাচার চালিয়ে অপকর্মের স্বীকারোক্তি আদায় করেন। এবং প্রকৃত অপরাধীকে আড়াল করে মুক্তভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ করে দেন।

সরকারের নেতাকর্মীরা, চাদাবাজি, হত্যা, ধর্ষণ, গুম এধরনের সমাজসেবামূলক কাজ করে প্রচুর পরিমাণে অর্থ উপার্জন করছেন। এবং হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে, সেখানে বেগম পাড়া সহ বড় বড় ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন যা বিশ্বদরবারে আমাদের দেশের মুখ উজ্জ্বল করে।

সাধারণত মানুষের অবস্থা

 
ভোটাধিকার হারিয়ে জনগণ এখন ভাড়াটিয়া, তাই তাদের উপর চাপ সৃষ্টি করে তাদের সম্পদ লুটপাট করা, মালিক পক্ষ বা সরকারি দলের অধিকার। সন্ত্রাস বাহিনীর অন্যায় অত্যাচারের স্বীকার হয়ে সবকিছু হারিয়ে আইনের কাছে আশ্রয় চাইলে, সন্ত্রাসী প্রশাসন উল্টো মামলা দিয়ে স্থায়ীভাবে জেলখানায় পাঠিয়ে দেয়। কখনো ফাসিতে ঝুলে মরতে হয়, কখনো চার দেয়ালের মধ্যে অবহেলা, নির্মম অত্যাচার সহ্য করে, মিথ্যা অপবাদ নিয়ে ধুকে ধুকে মরতে হয়।

বর্তমান সরকারের উন্নয়ন জনগণের নাগালের বাইরে। কারন এই উন্নয়ন জনগণের কল্যানের জন্য নয়, বরং জনগণকে চুষে নিয়ে, বা জনগণের অধিকার ছিনিয়ে নিয়ে ্এ উন্নয়ন শোষকের বিলাসীতার উন্নয়ন। তাই আসুন আ্মরা সাধারন মানুষ দল, মত নির্বিশেষে আমাদের অধিকার আদায়ের জন্য একসাথে এক কন্ঠে বলি “উন্নয়ন নয় আমরা আমাদের অধিকার চাই”

২৪ নভেম্বর, ২০২১

স্বাধীনতার চেতনা নয় আমরা স্বাধীনতা চাই

স্বাধীনতার চেতনা নয় আমরা স্বাধীনতা চাই

স্বাধীনতার চেতনা নয় আমরা স্বাধীনতা চাই


স্বাধীনতা প্রতিটি জাতির গৌরবের, আনন্দের এবং স্বরণীয় দিন। কারন স্বাধীনতা আমাদের মুক্ত, স্বাধীন এবং সম্মান নিয়ে বাঁচার অধিকার দিয়েছে। এজন্য আমরা সাত কোটি মুক্তিযোদ্ধা, ত্রিশ লক্ষ শহীদ এবং দুই লক্ষ বীরাঙ্গনা সকলের কাছে কৃতজ্ঞ এবং তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা জানাই। এবং এই দিনটি আমরা বিষেশভাবে উৎযাপন করি।

আজ বাংলাদেশের স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরে আমরা যখন স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উৎযাপন করছি, তখন আমাদের স্বাধীনতাই বিলুপ্ত, পড়ে আছে শুধু চেতনা। কেনো ৭ কোটি মানুষ হাতে অস্ত্র তুলে নিলো, কেনো ৩০ লক্ষ মানুষ জীবন দিলো, কেনো দুই লক্ষ মা বোন ধর্ষিতা হলো, শুধুমাত্র একটি পরিবারের গোলামী করার জন্য, এই কি আমাদের স্বাধীনতা? 

কেনো আজও আমাদের অধিকার আদায়ের জন্য রাজপথে নামতে হয়, কেনো সুবিচারের দাবিতে আমাদের আজও মিছিল করতে হয়, কেনো অন্যায়ের প্রতিবাদ করার জন্য আজও আমাদের উপর নির্বিচারে গুলি চালানো হয়। কেনো আজো আমার মা বোন ধর্ষিত হয়, কেনো আজো আমাদের অর্থ অবৈধভাবে বিদেশে পাচার করা হয়, কেনো অর্থের অভাবে একজন বিজিবি সদশ্যকেও ( সোহরাব হোসাইন চৌধুরী ) আত্মহত্যা করতে হয়, কেনো নেই কোনো জনগণের কথা বলার অধিকার? 

নেই তার কোনো কোনো উত্তর, নাই কোনো বিচার, নাই কোনো প্রতিরোধ, নাই কোনো প্রতিকার। সাধারন মানুষ প্রতিবাদ করলেই হয় বিএনপি, জামাত, রাজাকার। এটি আজ মুসলমানদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই শিবির বলে হিন্দু বিশ্বজিৎকে হত্যা করা হয়েছে। হিন্দু মহাজোটের নেতা গোবিন্দ প্রামাণিককেও জামাতের নেতা কর্মী বলে ঘোষনা করা হয়। কারন দেশে আজ কোনো স্বাধীনতা নেই আছে শুধু চেতনা, আজ নেই কোন স্বসস্ত্র মুক্তিযোদ্ধা, আছে অস্ত্রধারী সন্ত্রাস আর নিরস্ত্র, নিরীহ বাঙ্গালী।

স্বাধীনতার চেতনাকে পুজি করে কেউ একাধারে ৩ বারের মতো প্রধানমন্ত্রী, কেউ শতো শতো কোটি টাকার মালিক, কারো কারো রয়েছে উন্নত দেশে বিলাশবহুল বাড়ি, গাড়ি এবং বড় বড় ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান। আর আমাদের দেশের মানুষ উন্নয়নের গল্প শুনছে, ফাঁসিতে ঝুলছে, গুম, খুনের স্বীকার হচ্ছে, নারীরা ধর্ষনের স্বীকার হচ্ছে, মানুষ অধ্যাহারে অনাহারে জীবন যাপন করছে, ঋণে দায়ে জর্জরিত হয়ে  আত্মহত্যা করছে।

চেতনা ব্যাবসায়ীরা আমাদেরকে স্বাধীনতার চেতনা দিয়ে, নিয়েছে আমাদের স্বাধীনতা। তাই তারা স্বাধীনভাবে লু্টপাট, গুম খুন করেই যাচ্ছে, বেহায়া, নির্লজ্জের মতো উন্নয়নের গল্প শোনাচ্ছেন। সাধারন মানুষকে দমিয়ে রাখছেন। সাধারন মানুষের দূর্দশার কথা অস্বীকার করে বলছেন। আজ আর দেশে কোন অভাব নেই, সবাই খেয়ে পড়ে বেঁচে আছে। জিনিস পত্রের দাম যতোই বাড়ুক কেউ কিন্তু না খেয়ে মরছে না।

যেখানে জনগণের মত প্রকাশের স্বাধীনতা নেই, ভোটের অধিকার নেই, আদালতে বিচার নেই, বিচার চাইলে নিকৃষ্টভাবে ভেংচি কাটা হয়। যেখানে মানবধিকার লঙ্ঘিত, সেখানে কিসের স্বাধীনতা, কিসের স্বাধীনতার চেতনা। তাই আসুন আমরা একাত্তবের মতো দল মত নির্বিশেষে সবাই এক হই, এক কন্ঠে বলি আমরা স্বাধীনতার চেতনা নয় আমরা আমাদের স্বাধীনতা চাই।

২৬ অক্টোবর, ২০২১

হাসিনা ক্ষমতায় থাকাকালীন আইন শৃংখলার অবনতি এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা এবং হুমকি

হাসিনা ক্ষমতায় থাকাকালীন আইন শৃংখলার অবনতি এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা এবং হুমকি

হাসিনা ক্ষমতায় থাকাকালীন আইন শৃংখলার অবনতি এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা এবং হুমকি


চাল চুরির সংবাদ প্রকাশ করায় সা়ংবাদিক এর নামে মামলা
ঠাকুরগাঁওয়ে চাল চুরির প্রতিবেদন প্রকাশ করায় মামলা হয়েছে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর নামে , জাগোনিউজ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মহিউদ্দিন সরকার, প্রতিবেদক তানভীর হাসান (শাওন আমিন) এবং রহিম শুভ-র বিরুদ্ধে৷ শনিবার রাতে ডিজিটাল আইনে বালিয়াডাঙ্গি থানায় মামলাটি করেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোমিনুল ইসলাম ভাসানী৷
এজাহারে বলা হয়েছে, ৯ এপ্রিল বালিয়াডাঙ্গি উপজেলায় ১০ টাকা কেজি দরের ৬৮ বস্তা চাল উদ্ধার হয়৷ এর একদিন আগে তানভীর হাসান এবং রহিম শুভ মোমিনুল ইসলাম ভাসানীকে ‘চাল চোর’ বলে ফেসবুকে পোস্ট দেন৷ পরে মোমিনুল ইসলাম ভাসানীর বড় ভাই বড় পালাশবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম আমিনকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়৷ এতে মোমিনুল ইসলাম ভাসানী নিজের ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হওয়ার অভিযোগে মামলা করেন৷
তানভীর হাসান স্বীকার করেন যে তার প্রতিবেদনে ভুল ছিল৷ তিনি বলেন, ‘‘আমার প্রতিবেদনে একটু ভুল ছিল৷ যার গোডাউন থেকে চাল উদ্ধার করা হয়েছে, তার নামের সাথে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার ভাইয়ের নামের মিল রয়েছে৷ তাই তার ভাই বলে খবরের হেডিং-এ উল্লেখ করা হয়েছিল৷ আমরা কিছুক্ষণ পরেই তা সংশোধন করে দেই৷ কিন্তু তারপরও মামলা করেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা৷ পুলিশ খুব দ্রুত মামলা নেয়৷ আসলে এখানে আমরা যারা করোনায় ত্রাণের চাল চুরির বিরুদ্ধে লিখি, তাদের শায়েস্তা করতেই এই মামলা৷ আমরা যাতে আর কোনো প্রতিবেদন করতে না পারি সেজন্যই এই হীন প্রচেষ্টা৷

আওয়ামীলীগ এবং ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার করা হলে পরিণতি
আওয়ামীলীগ এবং ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বললে বা লেখালেখি করলে হুমকি ধামকি এবং মামলা খেতে হয়।


মূলত ঐদিন ৯ইে এপ্রিল ৬৮ বস্তা নয় ৮২১ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়। তবুও যেন পুলিশ সাংবাদিকদের উপর একটু বেশিই তৎপর, এযেনো চালচোরদের বিরোধিতা নয়, দেশদ্রোহীতা।

২২ অক্টোবর, ২০২১

বিএনপির ৬ মাস ধরে কারাগারে থাকা ৩ নেতার বিরুদ্ধে মূর্তি ভাংচুর এর অভিযোগ

বিএনপির ৬ মাস ধরে কারাগারে থাকা ৩ নেতার বিরুদ্ধে মূর্তি ভাংচুর এর অভিযোগ

বিএনপির ৬ মাস ধরে কারাগারে থাকা ৩ নেতার বিরুদ্ধে মূর্তি ভাংচুর এর অভিযোগ এবং গণ হারে বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেফতার




বিএনপি বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল। তাদের নামে বাংলাদেশের বর্তমান ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগ স্বাধীনতাবিরোধী বলে অভিযোগ করে থাকেন। এবং দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য তাদেরকেই দায়ী করেন।

বাংলাদেশে বিএনপির, জামায়াত, অর্থাৎ বিরোধী দলগুলো ছাড়া আর কেউই যেন অপরাধ করতে পারেনা। আসলেই কি তাই, নাকি তাদের অপরাধ, অপরাধ বলে বিবেচিত হয় না? তাদের অপরাধের দায় চাপিয়ে দেয়া হয় বিরোধী দলীয় নেতা কর্মীদের উপরে। এবং সাধারণ জনগণ বিরোধীতা অর্থাৎ প্রতিবাদ করলে, তাদের কে জামায়াত শিবির, বিএনপি অর্থাৎ বিরোধী দলের সদস্য হিসেবে তাদের নামেও মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করা হয়।

বর্তমান প্রথম আলোর একটি সংবাদে বিএনপির ৬ মাস ধরে কারাগারে বন্দি থাকা তিন জনের নামে মূর্তি ভাংচুরের অভিযোগ আনা হয় বলে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। তারা তিন জনই হেফাজত ইসলামের সহিংসতা মামলায় ৬ মাস ধরে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি।

তিন আসামি হলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহসভাপতি সৈয়দ ইকবাল, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সদস্য আকরাম উদ্দিন ওরফে পাভেল ও বিএনপির কর্মী জোনায়েদ মেহেদী। তিনজনেরই বাড়ি হাটহাজারীতে।

কারাগারে থাকা বন্দীদের ভাঙচুরের মামলায় আসামি করা পুলিশের খামখেয়ালিপনা বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী। এটিকে পুলিশের খামখেয়ালি বলা হলেও এইটি স্পস্ট যে এইরকম খামখেয়ালির শিকার বিএনপির সকল নেতাকর্মী আগেও হয়েছেন এবং এখনো হচ্ছেন। মূলত এটি বিরোধী দলকে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্র। 

কারাবন্দী থাকা ব্যক্তিকে আসামি করা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মামলার বাদী হাটহাজারী থানার এসআই আবিদুর রহমান ফোন ধরেননি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন জানিয়ে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক প্রথম আলোকে বলেন, জেল থেকেও হুকুম দিতে পারে।

তবে জেল থেকে কোনো আসামির হুকুম দেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানান চট্টগ্রাম কারাগারের জ্যেষ্ঠ তত্ত্বাবধায়ক শফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, বন্দীরা কড়া নিরাপত্তার মধ্যে থাকেন। বর্তমানে স্বজনদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ বন্ধ রয়েছে।

এর থেকে একেবারেই স্পস্ট বোঝা যায় শুধুমাত্র খামখেয়ালি নয়, তারা বিরোধী দলীয় নেতা কর্মীদের উপরে দোষারোপের জন্য কতটা পারদর্শী। যে দেশের প্রসাশন এইরকম খামখেয়ালির করে থাকেন, তারা জনগণের যে কি এমন নিরাপত্তা দেন, আদৌও তারা জনগণের কাছে নিরাপদ কিনা তা প্রশ্নবিদ্ধ।



২০ অক্টোবর, ২০২১

এ কেমন রাজনীতি খুনিকে দেয় সম্মান আর রাজাকারের ফাঁসি

এ কেমন রাজনীতি খুনিকে দেয় সম্মান আর রাজাকারের ফাঁসি

এ কেমন রাজনীতি খুনিকে দেয় সম্মান আর রাজাকারের ফাঁসি




পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর যখন পূর্ব পাকিস্তানের নিরস্ত্র মানুষের ওপর নির্মম হত্যাযোগ্য চালায়। বাড়ি ঘড় জ্বালিয়ে দেয়, মা বোনদের ধর্ষণ করে। তখন কিন্তু বঙ্গবন্ধুর পরিবার বেশ নিরাপদেই ছিলো এবং পাকিস্তানিদের ভাতা খাচ্ছিলো। 

কিন্তু বঙ্গবন্ধু তখন কারাগারে কেমন ছিল, তার উপর কি অমানবিক নির্যাতন চালানো হচ্ছিল এই ভিডিওটি দেখলে স্পস্ট বুঝতে পারবেন।

ভিডিও ফুটেজটি ১৯৭৪ সালের, পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ভূট্টো খাঁনকে আমন্ত্রণ করে লাল গালিচা সংবর্ধনার। যায মাধ্যমে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মান জানানো হয়। কিন্তু কেন ৩০ লক্ষ মানুষের হত্যাকারিকে শাস্তি নয় সম্মান প্রদান করা হয়েছিল?

৩০ লক্ষ শহীদের, ২ লক্ষ বিরাঙ্গনার এমনকি আপনার পরিবার প্রিয়জন ছেড়ে জেলখানার বন্দী জীবনের কথা ভুলে গেলেন। কিন্তু কেনো?

এর সাথে কি আপনার পরিবারের নিরাপত্তা, পাকিস্তানি ভাতা এবং পাকিস্তানিদের সাথে সমঝোতার কোনোই সম্পর্ক নেই। মুক্তিযুদ্ধের পিছনে আপনাদের কি কোনোই ব্যাক্তিগত সার্থ ছিলোনা। 

অবশ্যই ছিলো, কারণ আমি বলবো ওইটা লাল গালিচা ছিলোনা, আমার শহীদ ভাইয়ের তাজা রক্ত ছিলো। আপনারা সার্থের জন্য সবকিছুই করতে পারেন এবং করেন। যার প্রমাণ আমরা বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ডে যা সম্পূর্ণরূপে প্রতিফলিত হচ্ছে।

সার্থের জন্য আপনারা সবকিছু করতে পারেন তার প্রমাণ। রাজাকারের ফাঁসি আর খুনির লাল গালিচার সম্মান একেবারেই বে মানান।



১৮ অক্টোবর, ২০২১

আওয়ামীলীগ সরকারের বিচার পদ্ধতি যা জানলে আপনি কখনো বিচার চাইবেন না

আওয়ামীলীগ সরকারের বিচার পদ্ধতি যা জানলে আপনি কখনো বিচার চাইবেন না

আওয়ামীলীগ সরকারের বিচার পদ্ধতি যা জানলে আপনি কখনো বিচার চাইবেন না




আওয়ামীলীগ সরকার দেশে নাকি ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করেছেন। আই এস, জামাত শিবির, বি এন পি, এবং পাকিস্তানি রাজাকার নাকি এদের শান্তি শৃঙ্খলায় ব্যাঘাত ঘটায়। দেশের উন্নতি নাকি এরা সহ্য করতে পারেনা। মেনে নিলাম।

যখন চাল ডাল টিন জনগণের সম্পদ মেরে খাওয়া হয় তার অভিযোগ করা হলে এটি বি এন পির ষড়যন্ত্র মেনে নিলাম। 

কিন্তু যখন আওয়ামীলীগের অপকর্মের প্রমাণ দেখানো হয় তখন তারা অপকর্মের বিচার বাদ দিয়ে প্রমাণ কোথায় পেলো, সে কোন দল করে, আই এস এর সদস্য নাকি, তার বাবা জামাত শিবির করে, নাকি রাজাকার ছিল সেই গুলো নিয়েই তদন্ত করা হয়। এবং তাকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে অত্যাচার করেন।

যদি কোনো কারণে তাকে (বিচার প্রার্থীকে) রিমান্ডে নেওয়া সম্ভব না হয় তাহলে বলা হয়। আমরা বি এন পির থেকে কম লুটপাট করছি।

জনগণের উপর শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান ঋণের বোঝা স্বরূপ চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে। জোরপূর্বক টেলিভিশনে পর্দায় এবং প্রতিটি ঘরে ঘরে তার ছবি রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু প্রকৃত স্বাধীনতার ইতিহাস ভিন্ন আওয়ামীলীগ সেটি গোপন করেছে।

বর্তমানে ডিজিটাল আইনের আবির্ভাব করে বাংলাদেশের মানুষের কথা বলার অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। জনগণ তাদের মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে না। চামচামি আর  দালালি ছাড়া জাতীয় গনমাধ্যমে কিছুই প্রচার করা হয় না। কোনো কিছু প্রচার করতে হলে সরকারের অনুমতি নিতে হয়। 

তার প্রভাব সোস্যাল মিডিয়াতেও বিস্তার করা হয়েছে। সরকার বিরোধী প্রতিবাদী পোস্ট করা হলে তাকে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু ইসলাম বিরোধী পোস্ট করা হলে তখন নিরবতা পালন করা হয়।

ধর্মীয় ব্যাপারে আওয়ামীলীগ একই বিচার ব্যবস্থা জারি রেখেছেন। তবে হিন্দু ধর্ম তাদের কাছে একটু বেশিই প্রিয়। হিন্দুদের সাথে মিলে মিশে পূজা উৎসব পালন করেন। এবং শেখ মুজিবুর এর মূর্তি বানিয়ে তার চর্চা করেন।

কোরআন অবমাননার জন্য এখনো কারো শাস্তি হয়নি। কিন্তু তার প্রতিবাদ করায় মুসলমানদের গ্রেফতার করা হয়েছে এবং গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। 

ইসলাম বিরোধী হিংস্র বক্তব্য প্রকাশ করা হলে। তা নিয়ে এদের কিছু করার বা বলার থাকে না। মুসলমানরা সক্রিয় হলে তখন আর এরা বসে থাকতে পারে না। সরাসরি অস্ত্র নিয়ে মুসলমানদের ওপর হামলা চালায়।

কারা এই ইসলাম বিরোধী প্রতিহিংসা পরায়ন উষ্কানীমূলক বক্তব্য প্রদান করে তারা কারা, কেন এগুলো করে তা জানতে চাওয়া হয় না। বলা হয় সামান্য ফেইসবুক লাইভ নিয়ে মুসলমান উগ্রবাদ জঙ্গিরা হিন্দুদের আঘাত করেছেন। তাদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করেছে তার উপযুক্ত বিচার হওয়া উচিত।