২২ অক্টোবর, ২০২১

বিএনপির ৬ মাস ধরে কারাগারে থাকা ৩ নেতার বিরুদ্ধে মূর্তি ভাংচুর এর অভিযোগ

বিএনপির ৬ মাস ধরে কারাগারে থাকা ৩ নেতার বিরুদ্ধে মূর্তি ভাংচুর এর অভিযোগ এবং গণ হারে বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেফতার




বিএনপি বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল। তাদের নামে বাংলাদেশের বর্তমান ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগ স্বাধীনতাবিরোধী বলে অভিযোগ করে থাকেন। এবং দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য তাদেরকেই দায়ী করেন।

বাংলাদেশে বিএনপির, জামায়াত, অর্থাৎ বিরোধী দলগুলো ছাড়া আর কেউই যেন অপরাধ করতে পারেনা। আসলেই কি তাই, নাকি তাদের অপরাধ, অপরাধ বলে বিবেচিত হয় না? তাদের অপরাধের দায় চাপিয়ে দেয়া হয় বিরোধী দলীয় নেতা কর্মীদের উপরে। এবং সাধারণ জনগণ বিরোধীতা অর্থাৎ প্রতিবাদ করলে, তাদের কে জামায়াত শিবির, বিএনপি অর্থাৎ বিরোধী দলের সদস্য হিসেবে তাদের নামেও মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করা হয়।

বর্তমান প্রথম আলোর একটি সংবাদে বিএনপির ৬ মাস ধরে কারাগারে বন্দি থাকা তিন জনের নামে মূর্তি ভাংচুরের অভিযোগ আনা হয় বলে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। তারা তিন জনই হেফাজত ইসলামের সহিংসতা মামলায় ৬ মাস ধরে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি।

তিন আসামি হলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহসভাপতি সৈয়দ ইকবাল, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সদস্য আকরাম উদ্দিন ওরফে পাভেল ও বিএনপির কর্মী জোনায়েদ মেহেদী। তিনজনেরই বাড়ি হাটহাজারীতে।

কারাগারে থাকা বন্দীদের ভাঙচুরের মামলায় আসামি করা পুলিশের খামখেয়ালিপনা বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী। এটিকে পুলিশের খামখেয়ালি বলা হলেও এইটি স্পস্ট যে এইরকম খামখেয়ালির শিকার বিএনপির সকল নেতাকর্মী আগেও হয়েছেন এবং এখনো হচ্ছেন। মূলত এটি বিরোধী দলকে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্র। 

কারাবন্দী থাকা ব্যক্তিকে আসামি করা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মামলার বাদী হাটহাজারী থানার এসআই আবিদুর রহমান ফোন ধরেননি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন জানিয়ে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক প্রথম আলোকে বলেন, জেল থেকেও হুকুম দিতে পারে।

তবে জেল থেকে কোনো আসামির হুকুম দেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানান চট্টগ্রাম কারাগারের জ্যেষ্ঠ তত্ত্বাবধায়ক শফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, বন্দীরা কড়া নিরাপত্তার মধ্যে থাকেন। বর্তমানে স্বজনদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ বন্ধ রয়েছে।

এর থেকে একেবারেই স্পস্ট বোঝা যায় শুধুমাত্র খামখেয়ালি নয়, তারা বিরোধী দলীয় নেতা কর্মীদের উপরে দোষারোপের জন্য কতটা পারদর্শী। যে দেশের প্রসাশন এইরকম খামখেয়ালির করে থাকেন, তারা জনগণের যে কি এমন নিরাপত্তা দেন, আদৌও তারা জনগণের কাছে নিরাপদ কিনা তা প্রশ্নবিদ্ধ।




শেয়ার করুন

0 coment rios: