এ কেমন রাজনীতি খুনিকে দেয় সম্মান আর রাজাকারের ফাঁসি
পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর যখন পূর্ব পাকিস্তানের নিরস্ত্র মানুষের ওপর নির্মম হত্যাযোগ্য চালায়। বাড়ি ঘড় জ্বালিয়ে দেয়, মা বোনদের ধর্ষণ করে। তখন কিন্তু বঙ্গবন্ধুর পরিবার বেশ নিরাপদেই ছিলো এবং পাকিস্তানিদের ভাতা খাচ্ছিলো।
কিন্তু বঙ্গবন্ধু তখন কারাগারে কেমন ছিল, তার উপর কি অমানবিক নির্যাতন চালানো হচ্ছিল এই ভিডিওটি দেখলে স্পস্ট বুঝতে পারবেন।
ভিডিও ফুটেজটি ১৯৭৪ সালের, পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ভূট্টো খাঁনকে আমন্ত্রণ করে লাল গালিচা সংবর্ধনার। যায মাধ্যমে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মান জানানো হয়। কিন্তু কেন ৩০ লক্ষ মানুষের হত্যাকারিকে শাস্তি নয় সম্মান প্রদান করা হয়েছিল?
৩০ লক্ষ শহীদের, ২ লক্ষ বিরাঙ্গনার এমনকি আপনার পরিবার প্রিয়জন ছেড়ে জেলখানার বন্দী জীবনের কথা ভুলে গেলেন। কিন্তু কেনো?
এর সাথে কি আপনার পরিবারের নিরাপত্তা, পাকিস্তানি ভাতা এবং পাকিস্তানিদের সাথে সমঝোতার কোনোই সম্পর্ক নেই। মুক্তিযুদ্ধের পিছনে আপনাদের কি কোনোই ব্যাক্তিগত সার্থ ছিলোনা।
অবশ্যই ছিলো, কারণ আমি বলবো ওইটা লাল গালিচা ছিলোনা, আমার শহীদ ভাইয়ের তাজা রক্ত ছিলো। আপনারা সার্থের জন্য সবকিছুই করতে পারেন এবং করেন। যার প্রমাণ আমরা বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ডে যা সম্পূর্ণরূপে প্রতিফলিত হচ্ছে।
সার্থের জন্য আপনারা সবকিছু করতে পারেন তার প্রমাণ। রাজাকারের ফাঁসি আর খুনির লাল গালিচার সম্মান একেবারেই বে মানান।
0 coment rios: