০৭ নভেম্বর, ২০২১

সবকিছুরই দাম বাড়ছে কমেছে শুধু মানুষের জীবনের দাম

সবকিছুরই দাম বাড়ছে কমেছে শুধু মানুষের জীবনের দাম

সবকিছুরই দাম বাড়ছে কমেছে শুধু মানুষের জীবনের দাম


সবকিছুরই দাম বাড়ছে কিন্তু কমছে শুধু মানুষের জীবনের দাম। কিভাবে? পন্য সামগ্রীর দাম কি মানুষের জীবনের দাম নির্ধারণ করে, তা না হলে কেন পন্যের দাম বেড়ে গেলে জীবনের দাম কমবে? আপনার সকল প্রশ্নের উত্তর পেতে সম্পূর্ণ লেখাটি পড়ুন।

চাকরি যেনো সোনার হরিণ, বেকারত্বের চেয়ে চাকরির সংখ্যা কম হওয়ায় চাকরি পাওয়া যেনো দরিদ্র সাধারণ মানুষের কাছে দুষ্প্রাপ্য বস্তু। কারণ তা ধনী ও প্রভাবশালীদের কাছে বিক্রি হওয়া সৌখিন বা বিলাসীতার বস্তু। ঘুস ছাড়া চাকরি যেনো কল্পনার বাইরে। বিক্রি হওয়ার বিষয়টা তো বুঝলেন এখন সৌখিন বা বিলাসীতা, ঘুষ দিয়ে চাকরি নেওয়ার পর সে নিজের বা ঐ পদের দায়িত্ব কর্তব্য সম্পর্কে কতোটা অবগত, বা কতোটা দায়িত্ব পালন করেন তা আমরা সবাই জানি।

এইবার আসি ব্যাবসায়, আমরা যারা চাকরি না পেয়ে ব্যাবসার পথে পা বাড়াই তাদের প্রতিটি পদে পদে আইনি এবং বেআইনি ভাবে চাদাবাজির স্বীকার হতে হয়। যার কারণে বেশিরভাগ সময় লাভতো দূরের কথা মূলধনই গায়েব হয়ে যায়।

এবার চাকরি ব্যাবসা বাদ দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ব্যাপারে কথা বলি। দিনের পর দিন আমাদের দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবুও সবাই চুপ, কিন্তু হঠাৎ করে গত শুক্রবার ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বৃদ্ধি পাওয়ায় মাঠে নেমেছেন বাস, ট্রাক, লঞ্চ ইত্যাদির মালিক শ্রমিক সমিতি। তাদের দাবি ভাড়া বাড়াতে হবে। তাদের দাবি পূরন হলো গাড়িভাড়া বৃদ্ধি করা হলো। যাইহোক জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে পরিবহন খরচ বাড়বে এটাই স্বাভাবিক।

এখন তাহলে জানা যাক ডিজেলের দাম কেনো বাড়লো, এ বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাসান মাহমুদ বলেন ডিজেলের দাম প্রতিবেশী দেশের চেয়ে কম তাই ডিজেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। আমাদের দেশে ডিজেলের দাম বৃদ্ধি পেয়ে লিটার ৮০ টাকা আর কলকাতায় ১২১ টাকা। তাহলে কেনো ঢাকা চট্টগ্রামের দূরত্ব  ২৬৫ কিলোমিটার। এসি বাসের ভাড়া ১২০০ টাকা। (আরো কম বেশীও আছে, যে যেমন পারে!) আর কলকাতা থেকে পূরী সড়ক পথে ৫০৫ কিলোমিটার। এসি ভলভো বাসের ভাড়া ৭০০ রুপি। বাংলাদেশী টাকায় ৮০৯ টাকা। এই বিষটি কি জনগণ বোঝেনা, আর বুঝলে কেন প্রতিবাদ করেনা?

ঠিক এখনি জানতে পারবেন কেনো মানুষ প্রতিবাদ করেনা আর কিভাবে পণ্যদ্রব্যের দাম বাড়ে এবং মানুষের জীবনের দাম কমছে আমাদের দেশে।
আচ্ছা বলুনতো অসঙ্গতিপূর্ণ ভাবে পণ্যদ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় জনগণ যদি প্রতিবাদ এবং আন্দোলন করে তাহলে কি হবে? আমরা কেউ ভবিষ্যতের কথা জানিনা তবে অতীতের পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নিয়ে ধারণা করতে পারি। আমরা অতীতে দেখেছি অন্যায়ের প্রতিবাদ করায়

  • হেফাজত ইসলামের ওপর গুলি চালিয়ে নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল এবং সমস্ত বিষয়টি গোপন করা হয়েছিল।
  • কিছুদিন আগে কোরআন অবমাননার প্রতিবাদ করায় মুসলমানদের উপর নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়েছিল।
  • তাছাড়াও যারা প্রতিবাদ করে তাদেরকে রাজাকার বলে ঘোষণা করে হয়রানি এবং গুম খুন করা হয়।

তাহলে এখানে কি দাড়ায় জনগণ তার প্রতিবাদের অধিকার হারিয়েছে কারন তাদের জীবনের মূল্য অনেক কমে গেছে। তার জন্যই খেয়াল খুশিমতো দ্রব্যমূল্যের দাম ক্রমাগত বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে। 

এখানে দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি এবং মানুষের জীবনের মূল্য কম, এদের একে অপরের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। তবে এই দুইটি বিষয় বাংলাদেশের শাসন, বিচার, অনিয়ম দুর্নীতির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।

০৫ নভেম্বর, ২০২১

মনোয়ার আলী মনু-পর্দার আড়ালের এক মহানায়কের গল্প

মনোয়ার আলী মনু-পর্দার আড়ালের এক মহানায়কের গল্প

মনোয়ার আলী মনু-পর্দার আড়ালের এক মহানায়কের গল্প



বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম! কথাটা শুনলেই বুকের মাঝে কেমন একটা অদ্ভুত অনুভুতি তৈরি হয়! তাই না? গ্যলারী ভর্তি দর্শক, সবার মুখে বাংলাদেশ-বাংলাদেশ প্রতিধ্বনি! যেন ১৮ কোটি বাঙালির ক্রিকেটীয় আবেগ-ভালোবাসার পরশ, ওরা ১১জন মিলে ছড়িয়ে দিচ্ছে পুরো বিশ্বদরবারে।

হ্যা, পুরো বিশ্ব এখন আমাদের ক্রিকেট টিম কে চেনে, জানে ক্রিকেটের প্রতি আমাদের আবেগ, ভালোবাসার যায়গা কতটা বড়! এটাও যানে যে  আমাদের ক্রিকেটার রা কতটা পরীশ্রম করে  আজ এই যায়গাতে পৌছেছে!!

তবে, প্রতিট মুদ্রার ই তো দুইটা পিঠ থাকে, বাংলাদেশ ক্রিকেটর এ-পিঠের কথা পুরো বিশ্বদরবার জানলেও, ও-পিঠের কথা কয়জন ই-বা জানে??

হ্যা, আজকে আপনাদেরকে শোনাবো মুদ্রার ও-পিঠের একজন ক্রিকেটীয় মহানায়কের কথা, যিনি বাংলাদেশ ক্রিকেটে পর্দার আড়ালে থেকেই নিজের সবটুকু ভালোবাসা, সু-শ্বাসন, সুশিক্ষা দিয়ে  গড়ে তুলেছেন- মুস্তাফিজুর রহমান, মেহেদী মিরাজ, আল-আমীন, নুরুল হাসান সোহান, মেহেদী হাসান সহ অসংখ্য  প্রতিভাবান ক্রিকেটারদেরকে। হ্যা আজকে আপনাদেরকে শোনাবো এমনই একজন মানুষের গল্প, যিনি খুলনা বিভাগীয় ক্রিকেট কে নিজে আড়ালে থেকেই এমন এক যায়গায় পৌছে দিয়েছেন যে, বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমকে- খুলনার ক্রিকেটারদের ছাড়া কোনোভাবেই কল্পনা করা সম্ভব নয়।

এতক্ষন আপনাদেরকে শোনাচ্ছিলাম, খুলনা বিভাগীয় ক্রিকেট কোচ এবং খুলনার সর্বোজয়ী ক্রিকেট কোচিং ক্লাব, ক্লাসিক ক্রিকেট ক্লিনিকের প্রতিষ্ঠাতা, এস এম মনোয়ার আলী মনুর কথা, যাকে ভালোবেসে সব স্টুডেন্ট মনু স্যার নামেই ডাকে। সদা শান্ত-হাস্যোজ্জ্বল এই যাদুকীয় ক্রিকেট কারীগরের জন্ম ২৬ জুলাই, ১৯৬৯ সালে, খুলনা শহরে।

খুলনার সাধারন এক মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা মনোয়ার আলী মনুর ক্রিকেটে যাত্রা শুরু আশীর দশকে অর্থাৎ ১৯৮২ সালে। তার আগে তিনি ব্রাদার্স ইউনিয়নের হয়ে খুলনার ফুটবল দলে খেলতেন। তখন আাসলে ক্রিকেট এতোটা জনপ্রিয় ছিলোনা। মায়ের পছন্দেই মূলত তার ক্রিকেটে আসা। ক্রিকেট শুরু করার পর থেকেই অত্যন্ত সদালাপী ও মিশুক এই ক্রিকেটীয় নায়কের সম্পুর্ন ধ্যান-জ্ঞানের যায়গাতে পরিনত হয় ক্রিকেট, একমাত্র সপ্ন ছিলো নিজেকে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে দেখার,কিন্তুু পরিবার ও পরিস্থিতির কারণে ঢাকাতে অবস্থান করতে পারেন নি, যার কারণে খুলনাতেই ক্যারিয়ার থমকে যায়। খুলনা ব্রাদার্স ক্লাবের হয়ে খুলনা লিগে খেলতেন নিয়মিত। 

খেলোয়াড়ি জীবনে তিনি ছিলেন একজন অলরাউন্ডার। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে পেস বোলার ছিলেন সাথে চার/পাঁচ নম্বরে ব্যাটিং করতেন। পরে ইনজুরির কারণে অফ স্পিন বোলিং শুরু করেন। এছাড়াও মনোয়ার আলী মনু ভালো ফুটবলও খেলতেন। কিন্তু হঠাৎ ভয়ানক এক ইঞ্জুরির কারনে তার ক্রিকেট ক্যারিয়ার থমকে যায়, কিন্তুু যার সব ধ্যান-জ্ঞান ই ক্রিকেট নিয়ে, তিনি কি ক্রিকেট ছাড়া থাকতে পারেন? ইঞ্জুরি থেকে একটু রিকোভার হওয়ার পরেই মনোয়ার আলী মনুর জীবনে নতুন এক ক্রিকেটীয় অধ্যায়ের সুচনা হয়,বাড়ির পাশে একটি স্কুল ছিলো যার নাম “এইচ আর এইচ প্রিন্স আগা খান স্কুল”, সেখানেই প্রথম ক্রিকেট কোচিং করানো শুরু করেন, আর  তারপরই তিনি ধীরে ধীরে কোচ হিসাবে নিজের লক্ষ্যে পৌঁছাতে থাকেন।

মনোয়ার আলী মনু, সফলতার খোজে সবথেকে বেশি অনুপ্রেরণা পেয়েছেন তার মা 'আনোয়ারা বেগম' এর কাছ থেকে। নিজ পরিবারের মেলবন্ধন-ভালোবাসা তাকে জীবনের সৌন্দর্য দেখিয়েছে, সাথে খেলোয়াড় থেকে শুরু করে সর্বোপরি সবার সমর্থন ই তার মনে সর্বদা শক্তি যোগায় সর্ব পরিস্থিতেই বাংলাদেশ ক্রিকেটের উন্নতি সাধন করে যাওয়ার!

তার জীবনের সবথেকে কাছের বন্ধু, খুলনার প্রয়াত কোচ শেখ সালাহউদ্দিন ছিলেন তার অনুপ্রেরণার আর এক বড় উৎস, প্রীয় বন্ধুকে হারানোর পরে মানসিকভাবে খুব ভেঙে পড়েছিলেন তিনি, তবে প্রয়াত বন্ধুর সাথে মিলে দুজনে ক্রিকেটের প্রতি যে স্বপ্নগুলো দেখেছিলেন সেগুলো বাস্তবায়নের লক্ষে আবারো আরো শক্তিশালী ভাবে তিনি ফিরে আসেন ক্রিকেটের ময়দানে।

প্রয়াত ইংলিশ কোচ বব উলমার এর কোচিং দর্শন মনোয়ার আলী মনুর খুব ই পছন্দের ছিলো, ঢাকাতে বিসিবির একটি প্রোগ্রামে তিনি কোচ বব উলমারের থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন, যেটা আজীবন তার মনে গেঁথে থাকবে। তবে তার পছন্দের বাকি সব কোচ ই বাংলাদেশের।

কোচ হিসাবে নিজেও অবশ্য সকল গুনেই গুনাম্বিত তিনি, স্কিলে যেমনি পারদর্শী, তেমন ই একজন আদর্শ মেন্টর। খেলোয়াড়দেরকে খুব ভালোভাবে রিড করার এক অসামান্য দক্ষতা  আছে এই অসাধারন মানুষটার মাঝে!

ক্রিকেটকেই নিজের জীবন বানিয়ে নেওয়া পর্দার আড়ালের এই মহানায়কের হাত ধরেই খুলনার ক্রিকেটীয় প্রতীভারা নিজেদের মেলে ধরতে পেরেছেন দূর থেকে দুরন্তর পর্যন্ত।

যেমন, বর্তমানের সেরা উইকেট কিপার ব্যাটসম্যানদের মধ্যে একজন, ক্লাসিক বয় নুরুল হাসান সোহানের কথা ই বলা যাক, ক্লাসিক ক্রিকেট ক্লিনিকে ভর্তি হওয়ার প্রথম দিকে সে ছিলো একজন পেসার, কিন্তুু মনোয়ার আলী মনু, সোহানের মাঝে দেখেছিলেন একজন আদর্শ উইকেট-কিপার হওয়ার সব গুণাবলী, তাই নিজ হাতেই সোহানকে গড়ে তোলেন দেশের সেরাদের কাতারের একজন উইকেট কিপার হিসাবে!

সোহান যখন ই সময় পায়, যখন ই কোনো সমস্যায় পড়ে,সর্বপ্রথমেই সে তার আদর্শ এবং ক্রিকেটীয় গুরু,মনু স্যারের কাছে ফোন দেয়! ঠিক একারনেই গুরুর সবথেকে প্রিয় শিষ্য নুরুল হাসান সোহান।

কাটার মাস্টার ফিজের পেছনেও অক্লান্ত পরিশ্রম দিয়েছেন বিসিবির এই মাস্টারমাইন্ড কোচ।

মুস্তাফিজুর রহমান যখন প্রথম গুরুর কাছে আসে, তখন নেটে একদম ই ভালো বল করতে পারছিলো না, প্রথম বলটা করেছিলো নেটের বাইরে, কিন্তুু প্রকৃত প্রতিভাকে কিভাবে সবার সামনে তুলে ধরতে হয়, সেটা বেশ ভালো করেই যানেন মনোয়ার আলী মনু। ঐ দিনের পরে টানা ১৩ দিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নিজ হাতে মুস্তাফিজুরের স্পট বোলিং এবং কাটার নিয়ে কাজ করেন তিনি, ফলস্বরূপ  বাংলার ক্রিকেটে আবির্ভাব ঘটে আর এক রত্নের, দা ফিজ!!

নুরুল হাসান সোহান, মুস্তাফিজুর রহমান, মেহেদী মিরাজ, আল আমীন হোসেন, সৌম্য সরকার, শেখ মেহেদী হাসান, অনুর্ধ ১৯ বিশ্বকাপ জয়ী ক্রিকেটার অভিষেক দাশ অরন্য সহ খুলনা ও খুলনার বাইরের নবীন বহু ক্রিকেটারদের ক্রিকেট গুরু মনু স্যারের খুলনা বিভাগের পছন্দের প্রবীন শিষ্যদের তালিকায় আছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা, জিয়াউর রহমান, আব্দুর রাজ্জাক সহ আরো অনেক ক্রিকেটার। তিনি ক্রিকেটের তিন ফরম্যাট মিলিয়ে, জাতীয় দলের ২০জনেরও বেশী ক্রিকেটারের সাথে সরাসরীভাবে কাজ করেছেন!!

একজন পিতা যেমন তার সন্তানকে শাসন ও করতে পারেন আবার বুকে জড়িয়েও নিতে পারেন,খুলনা বিভাগের প্রতিটা ক্রিকেটারের সাথে ঠিক তেমনই সম্পর্ক সবার প্রিয় মনু স্যারের। প্রীয় শিষ্যদের সদা বন্ধু তিনি, গভীর থেকে বুঝতে চেয়েছেন সবার আবেগ-ভালোবাসা। বিপদ-আপদ, ভালো সময়, প্রতিটা মুহুর্তেই নিজের সবটুকু বিলিয়ে দিয়েছেন। খারাপ সময়গুলোতে তার বলা কথাগুলো শিষ্যদের যোগায় অসীম আত্নবিশ্বাস এবং মনোবল!

কয়েকবছর আগে আব্দুর রাজ্জাক ঢাকায় যাওয়ার পথে যখন এক্সিডেন্ট করে, খুলনায় হাসপাতালে আনার পরে রাজ্জাকের পরিবারের সবাইকে মানসিক শক্তি যুগিয়ে তার জ্ঞান ফেরা পর্যন্ত হাসপাতালেই প্রার্থানারত ছিলেন তিনি!!

করোনা মহামারীর মাঝে,যখন ক্রিকেট বন্ধের কারনে, অসংখ্য ক্রিকেট কোচ আর্থিকভাবে সংকটে পড়ে গেছিলো, দুর্দশার সেই দিনগুলোতে মনোয়ার আলী মনু নিজে বিসিবিকে দরখাস্ত লিখেছিলেন, সকল ক্রিকেট কোচদের কে আর্থিকভাবে সাহায্য করার জন্য!

কোচিং জীবনে শিষ্যদের সুখে, নিজের সুখ খুজে পাওয়া অত্যান্ত সহজ সরল শান্ত এই মানুষটার অবসর সময় কাটে পরিবারের সাথে ভ্রমনে, পুরানো কিছু বন্ধুর সাথে বর্শি দিয়ে মাছ ধরে, আর নিজের শখের কবুতরগুলোর সাথে সময় কাটিয়ে। অবসর সময়ে যেনো আরো একবার সেই ছোটোবেলার রঙিন দিনগুলোকে ফিরে পেতে চান তিনি, ছুটে যেতে চান আঁকাবাকা মেঠোপথ ধরে!

দক্ষ একজন কারিগর তার সবটুকু পরিশ্রম, ভালোবাসা, দক্ষতার সংমিশ্রনে নিজের কোমল হাত দিয়ে অনেক সাধনার পরে গড়ে তোলেন এক একটা নান্দনিক ইমারত, ইমারতটি ঠিক ই সবার প্রশংসাতে ভাসে, তবে এর কারিগর আড়ালেই রয়ে যান।

ঠিক এমনই বাংলাদেশ ক্রিকেটের আড়ালের এক স্বার্থহীন মহানায়ক মনোয়ার আলী মনু, যিনি জাতীয় দলের বহুত মজবুত ইমারতের এক অচেনা কারীগর।

একজন মনোয়ার আলী মনুর অবদান বাংলাদেশ ক্রিকেটে কতটা, সেটা একটা প্রতীবেদন, বা একটা ভিডিওতে কখনোই ব্যখ্যা করা সম্ভব নয়, তবে আলো-আধারের ক্রিকেটে আরেকজন মনু স্যারকে পেতে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে শতাব্দীর পর শতাব্দী অপেক্ষা করতে হবে! 

❤️"তিনি আড়াল থেকেই মহৎ,আড়ালেই মহানায়ক"❤️
লেখকঃরায়হান হাসান শুভ 
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১

২৬ অক্টোবর, ২০২১

হাসিনা ক্ষমতায় থাকাকালীন আইন শৃংখলার অবনতি এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা এবং হুমকি

হাসিনা ক্ষমতায় থাকাকালীন আইন শৃংখলার অবনতি এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা এবং হুমকি

হাসিনা ক্ষমতায় থাকাকালীন আইন শৃংখলার অবনতি এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা এবং হুমকি


চাল চুরির সংবাদ প্রকাশ করায় সা়ংবাদিক এর নামে মামলা
ঠাকুরগাঁওয়ে চাল চুরির প্রতিবেদন প্রকাশ করায় মামলা হয়েছে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম-এর প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর নামে , জাগোনিউজ-এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মহিউদ্দিন সরকার, প্রতিবেদক তানভীর হাসান (শাওন আমিন) এবং রহিম শুভ-র বিরুদ্ধে৷ শনিবার রাতে ডিজিটাল আইনে বালিয়াডাঙ্গি থানায় মামলাটি করেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোমিনুল ইসলাম ভাসানী৷
এজাহারে বলা হয়েছে, ৯ এপ্রিল বালিয়াডাঙ্গি উপজেলায় ১০ টাকা কেজি দরের ৬৮ বস্তা চাল উদ্ধার হয়৷ এর একদিন আগে তানভীর হাসান এবং রহিম শুভ মোমিনুল ইসলাম ভাসানীকে ‘চাল চোর’ বলে ফেসবুকে পোস্ট দেন৷ পরে মোমিনুল ইসলাম ভাসানীর বড় ভাই বড় পালাশবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম আমিনকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করা হয়৷ এতে মোমিনুল ইসলাম ভাসানী নিজের ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হওয়ার অভিযোগে মামলা করেন৷
তানভীর হাসান স্বীকার করেন যে তার প্রতিবেদনে ভুল ছিল৷ তিনি বলেন, ‘‘আমার প্রতিবেদনে একটু ভুল ছিল৷ যার গোডাউন থেকে চাল উদ্ধার করা হয়েছে, তার নামের সাথে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার ভাইয়ের নামের মিল রয়েছে৷ তাই তার ভাই বলে খবরের হেডিং-এ উল্লেখ করা হয়েছিল৷ আমরা কিছুক্ষণ পরেই তা সংশোধন করে দেই৷ কিন্তু তারপরও মামলা করেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা৷ পুলিশ খুব দ্রুত মামলা নেয়৷ আসলে এখানে আমরা যারা করোনায় ত্রাণের চাল চুরির বিরুদ্ধে লিখি, তাদের শায়েস্তা করতেই এই মামলা৷ আমরা যাতে আর কোনো প্রতিবেদন করতে না পারি সেজন্যই এই হীন প্রচেষ্টা৷

আওয়ামীলীগ এবং ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার করা হলে পরিণতি
আওয়ামীলীগ এবং ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বললে বা লেখালেখি করলে হুমকি ধামকি এবং মামলা খেতে হয়।


মূলত ঐদিন ৯ইে এপ্রিল ৬৮ বস্তা নয় ৮২১ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়। তবুও যেন পুলিশ সাংবাদিকদের উপর একটু বেশিই তৎপর, এযেনো চালচোরদের বিরোধিতা নয়, দেশদ্রোহীতা।

২৩ অক্টোবর, ২০২১

ইতিহাসবিদ তাজ হাশমির চোখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব

ইতিহাসবিদ তাজ হাশমির চোখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব

ইতিহাসবিদ তাজ হাশমির চোখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব




তাজ হাশমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে এবং তার শাসন ব্যবস্থা সম্পর্কে দিলেন চাঞ্চল্যকর তথ্য। এবং তিনি বলেন শেখ মুজিব এর পতনের জন্য, শেখ মুজিব নিজেই দায়ী। চলুন ইতিহাসবিদ তাজ হাশমির মুখেই শুনি।


বঙ্গবন্ধুর স্বভাব বা বৈশিষ্ট্য
বঙ্গবন্ধু আত্মপ্রচার করতে ভালোবাসতেন, এবং তিনি মুক্তিযুদ্ধের অবদান সম্পর্কে তার নিজের ভূমিকাই বেশি মনে করতেন। তারপর বাকি অংশ তার দলের নেতাকর্মীদের বলে মনে করতেন। সাধারণ মুক্তিযোদ্ধা যারা অন্য দল করে বা আওয়ামীলীগ করেননা তাদের মুক্তিযোদ্ধা বা স্বাধীনতায় তাদের অবদান আছে বলে মনে করেন না। তিনি তার সুবিধা মতো বিচার করতেন, আইন কানুন থাকলেও অনেকেই ছিলেন এর বাহিরে। তাদের অপরাধের কোন শাস্তি হতো না।

বঙ্গবন্ধুর শাসন যা তার পতনের কারণ

বঙ্গবন্ধু এই বিচার ব্যাবস্থার কারনে চুরি ডাকাতি অধিক পরিমাণে বেড়ে যায়। যার ফলে দেশে দুর্ভিক্ষ শুরু হয়, এবং না খেয়ে অনেক মানুষ মারা যায়।

এছাড়াও আওয়ামীলীগের পাতি নেতারা সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। তারা লুটপাট জায়গা জমি বেদখল দিতে থাকে। এর প্রতিবাদ রোধ করতে অস্ত্র নিয়ে টহল দেয়া হয়।

শুধু সাধারণ জনগণ নয় রাষ্ট্রে নিয়োজিত অফসার এবং প্রসাশনেও আওয়ামীলীগ কর্মীদের অন্যায় অত্যাচার ছড়িয়ে পরে। এবং তাদের চাকরি অন্যায়ভাবে ছিনিয়ে নেওয়া হয়। অবশেষে ১৯৭৫ সালের ১৪ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে তার নিজবাড়িতে স্বপরিবারে হত্যার স্বীকার হন। এবং তার রাজত্বের সমাপ্তি ঘটে। 

বিশ্বাস যোগ্যতা

  • বঙ্গবন্ধুর অসংখ্য ইতিহাস জানা গেলেও এই ইতিহাস বা তার শাসন কালটি সম্পূর্ণ গোপন রাখা হয়েছে।
  • বর্তমানে উনার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার মাঝে এই গুনাবলি বিদ্যমান।
  • শেখ হাসিনার অ্যাডভাইজার নিজে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে বলেন তিনি মধ্যযুগীয় স্বৈরাচার দের মতো দেশ শাসন করতেন। 
  • এই কথাগুলো শেখ হাসিনা মিথ্যা প্রমানিত না করে তাজ হাসমিকে ব্যাক্তিগত বা পারিবারিক ভাবে কটুক্তি করেন, তাকে সাইবার অপরাধী, নাস্তিক এবং আইএস বলে আখ্যায়িত করেন। যা তাদের বৈশিষ্ট্য।
  • বর্তমানে এদের কর্মকাণ্ড, স্বৈরাচারী মনোভাব, এবং তাদের বক্তব্য যে তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ এবং দেখানো পথে চলেন। তাদের এই সব কর্মকাণ্ড কর্মকাণ্ডই যেনো তাজ হাশমির কথাগুলোর স্বাক্ষী এবং জলজ্যান্ত প্রমাণ।


২২ অক্টোবর, ২০২১

বিএনপির ৬ মাস ধরে কারাগারে থাকা ৩ নেতার বিরুদ্ধে মূর্তি ভাংচুর এর অভিযোগ

বিএনপির ৬ মাস ধরে কারাগারে থাকা ৩ নেতার বিরুদ্ধে মূর্তি ভাংচুর এর অভিযোগ

বিএনপির ৬ মাস ধরে কারাগারে থাকা ৩ নেতার বিরুদ্ধে মূর্তি ভাংচুর এর অভিযোগ এবং গণ হারে বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেফতার




বিএনপি বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল। তাদের নামে বাংলাদেশের বর্তমান ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগ স্বাধীনতাবিরোধী বলে অভিযোগ করে থাকেন। এবং দেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য তাদেরকেই দায়ী করেন।

বাংলাদেশে বিএনপির, জামায়াত, অর্থাৎ বিরোধী দলগুলো ছাড়া আর কেউই যেন অপরাধ করতে পারেনা। আসলেই কি তাই, নাকি তাদের অপরাধ, অপরাধ বলে বিবেচিত হয় না? তাদের অপরাধের দায় চাপিয়ে দেয়া হয় বিরোধী দলীয় নেতা কর্মীদের উপরে। এবং সাধারণ জনগণ বিরোধীতা অর্থাৎ প্রতিবাদ করলে, তাদের কে জামায়াত শিবির, বিএনপি অর্থাৎ বিরোধী দলের সদস্য হিসেবে তাদের নামেও মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করা হয়।

বর্তমান প্রথম আলোর একটি সংবাদে বিএনপির ৬ মাস ধরে কারাগারে বন্দি থাকা তিন জনের নামে মূর্তি ভাংচুরের অভিযোগ আনা হয় বলে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। তারা তিন জনই হেফাজত ইসলামের সহিংসতা মামলায় ৬ মাস ধরে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি।

তিন আসামি হলেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহসভাপতি সৈয়দ ইকবাল, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সদস্য আকরাম উদ্দিন ওরফে পাভেল ও বিএনপির কর্মী জোনায়েদ মেহেদী। তিনজনেরই বাড়ি হাটহাজারীতে।

কারাগারে থাকা বন্দীদের ভাঙচুরের মামলায় আসামি করা পুলিশের খামখেয়ালিপনা বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী। এটিকে পুলিশের খামখেয়ালি বলা হলেও এইটি স্পস্ট যে এইরকম খামখেয়ালির শিকার বিএনপির সকল নেতাকর্মী আগেও হয়েছেন এবং এখনো হচ্ছেন। মূলত এটি বিরোধী দলকে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্র। 

কারাবন্দী থাকা ব্যক্তিকে আসামি করা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মামলার বাদী হাটহাজারী থানার এসআই আবিদুর রহমান ফোন ধরেননি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন জানিয়ে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক প্রথম আলোকে বলেন, জেল থেকেও হুকুম দিতে পারে।

তবে জেল থেকে কোনো আসামির হুকুম দেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানান চট্টগ্রাম কারাগারের জ্যেষ্ঠ তত্ত্বাবধায়ক শফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, বন্দীরা কড়া নিরাপত্তার মধ্যে থাকেন। বর্তমানে স্বজনদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ বন্ধ রয়েছে।

এর থেকে একেবারেই স্পস্ট বোঝা যায় শুধুমাত্র খামখেয়ালি নয়, তারা বিরোধী দলীয় নেতা কর্মীদের উপরে দোষারোপের জন্য কতটা পারদর্শী। যে দেশের প্রসাশন এইরকম খামখেয়ালির করে থাকেন, তারা জনগণের যে কি এমন নিরাপত্তা দেন, আদৌও তারা জনগণের কাছে নিরাপদ কিনা তা প্রশ্নবিদ্ধ।



২০ অক্টোবর, ২০২১

এ কেমন রাজনীতি খুনিকে দেয় সম্মান আর রাজাকারের ফাঁসি

এ কেমন রাজনীতি খুনিকে দেয় সম্মান আর রাজাকারের ফাঁসি

এ কেমন রাজনীতি খুনিকে দেয় সম্মান আর রাজাকারের ফাঁসি




পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর যখন পূর্ব পাকিস্তানের নিরস্ত্র মানুষের ওপর নির্মম হত্যাযোগ্য চালায়। বাড়ি ঘড় জ্বালিয়ে দেয়, মা বোনদের ধর্ষণ করে। তখন কিন্তু বঙ্গবন্ধুর পরিবার বেশ নিরাপদেই ছিলো এবং পাকিস্তানিদের ভাতা খাচ্ছিলো। 

কিন্তু বঙ্গবন্ধু তখন কারাগারে কেমন ছিল, তার উপর কি অমানবিক নির্যাতন চালানো হচ্ছিল এই ভিডিওটি দেখলে স্পস্ট বুঝতে পারবেন।
‌

ভিডিও ফুটেজটি ১৯৭৪ সালের, পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ভূট্টো খাঁনকে আমন্ত্রণ করে লাল গালিচা সংবর্ধনার। যায মাধ্যমে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সম্মান জানানো হয়। কিন্তু কেন ৩০ লক্ষ মানুষের হত্যাকারিকে শাস্তি নয় সম্মান প্রদান করা হয়েছিল?

৩০ লক্ষ শহীদের, ২ লক্ষ বিরাঙ্গনার এমনকি আপনার পরিবার প্রিয়জন ছেড়ে জেলখানার বন্দী জীবনের কথা ভুলে গেলেন। কিন্তু কেনো?

এর সাথে কি আপনার পরিবারের নিরাপত্তা, পাকিস্তানি ভাতা এবং পাকিস্তানিদের সাথে সমঝোতার কোনোই সম্পর্ক নেই। মুক্তিযুদ্ধের পিছনে আপনাদের কি কোনোই ব্যাক্তিগত সার্থ ছিলোনা। 

অবশ্যই ছিলো, কারণ আমি বলবো ওইটা লাল গালিচা ছিলোনা, আমার শহীদ ভাইয়ের তাজা রক্ত ছিলো। আপনারা সার্থের জন্য সবকিছুই করতে পারেন এবং করেন। যার প্রমাণ আমরা বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ডে যা সম্পূর্ণরূপে প্রতিফলিত হচ্ছে।

সার্থের জন্য আপনারা সবকিছু করতে পারেন তার প্রমাণ। রাজাকারের ফাঁসি আর খুনির লাল গালিচার সম্মান একেবারেই বে মানান।



১৯ অক্টোবর, ২০২১

কেনো যে কোনো অপকর্মের দায়ে মুসলমানদের উপর আঙ্গুল তোলা হয়

কেনো যে কোনো অপকর্মের দায়ে মুসলমানদের উপর আঙ্গুল তোলা হয়

কেনো যে কোনো অপকর্মের দায়ে মুসলমানদের উপর আঙ্গুল তোলা হয়?




ইসলাম শান্তির ধর্ম, তবে কেনো যেকোনো অন্যায় অপকর্মের জন্য মুসলমানদের দিকেই আঙ্গুল তোলা হয়। আমি একজন বাঙ্গালি, এই বাংলাদেশে আমার জন্ম। আমি মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি দেখিনি শেখ মুজিবের শাসন কাল। আপনারা মুক্তি যুদ্ধের ইতিহাস পরিবর্তন করেছেন। মুছে ফেলেছেন শেখ মুজিবরের সৈরাচারি শাসন কাল। 

এগুলো নিয়ে আমাদের কোনো মাথাব্যাথা ছিলোনা। স্বাধীনতার শত্রু বলে হত্যা করেছেন জামায়াত ইসলামের প্রভাবশালী মুসলিম নেতাদের। আমরা সহ্য করেছি কারন মুসলমানদের ভুল হতে পারে তারা অন্যায়ে লিপ্ত হতেই পারে। তাই তার কোনো প্রতিবাদ করিনি।

তাই মুসলমানদের দূর্বল ভেবে আপনারা কোরআন বিরোধী কথা বলেছেন। কোরআনকে অবমাননা করেছেন, ইসলামকে অস্বীকার করেছেন এবং ইসলামকে মুছে ফেলে মুজিবীয় সৈরাচারী শাসন প্রতিষ্ঠা করার দূর্সাহস দেখিয়েছেন।

কিন্ত আমরা মুসলমানরা এটি মেনে নিব না। কারন আমরা মুসলমানের ভূল থাকতে পারে এটা মেনে নিলেও কুরআনের এবং ইসলামের ভূল আছে এটা আমরা মানি না, মানবো না। এবং এর ঘোর বিরোধীতা প্রতিবাদ জানাই।

এখন আসি বর্তমান পরিস্থিতিতে: বর্তমানে কোনো ইসলাম ধর্মের অনুসারী বিপথগামী হয়ে একটা অন্যায় করে ফেললে তা এইভাবে হেডলাইন করে প্রচার করা যে অমুক মসজিদের ইমাম ধর্ষন করেছেন, অমুক মাদরাসার শিক্ষক ছাত্রিকে বিয়ে করেছেন। কিন্তু একজন এমপির বেলায় তার প্রচার হয়না, এমনকি মামলা করলেও তার কোনো বিচার হয়না।যে নীতি একজন এমপির বেলায় প্রয়োগ করেন, সেই নীতি কেন একজন মুসলীম এর বেলায় দেখাতে পারেন না। আমরা আপনাদের এই অচল নীতি এবং আপনাদের কে প্রত্যাখ্যান করি।

আপনারা (আওয়ামীলীগ) মুসমানদের রাজাকার, জঙ্গি বলে অপপ্রচার চালিয়ে যে ইসলামকে মুছে ফেলতে চেয়েছেন। আমি আপনাদের চ্যালেঞ্জ করছি যে 

রাষ্ট্র চলবে ইসলামী আইনে, তবে আমি বেচেঁ থাকতে এই বাংলার বুকে আমার হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ভাইদের কেউ বিনা কারণে অন্যায় ভাবে একটা টোকাও দিতে পারবেনা। হিন্দুদের দিবো মূর্তি ভাঙ্গার, অগ্নী সংযোগ এবং কেন পূজা বন্ধ করা হলো তার ন্যায় বিচার। মুসলমান পাবে ইসলাম অবমাননার প্রতিবাদে যারা শহীদ হলো তাদের প্রতিটি রক্ত বিন্দুর হিসাব। দেশ থেকে দূর করবো মীর জাফর এবং সৈরাচারি শাসক, ইনশাআল্লাহ।


টাকলা বিরোধী প্রতিবাদ-২

টাকলা বিরোধী প্রতিবাদ-২

টাকলা বিরোধী প্রতিবাদ-২




হে টাকলা মুরাদ, তুমি স্বাধীনতার দোহাই দিয়ে দেশ থেকে ইসলাম তুলে দিতে চাও। তুমি নিজেকে কি মনে কর? তোমার বাপ দাদা ফেরাউন, আবুজাহেল ্পবিত্র কোরআনের একটা নোক্তা পরিবর্তন করতে পারেনি, আর তুমি এসেছো গোটা কোরআন’ই মুছে ফেলতে। 

হে মুরাদ তুমিতো আওয়ামীলীগের সামান্য একটা টাকলা কুকুর মাত্র। তুমি কি জাননা তুমি কেন সারা পৃথিবীর সবকিছু মিলিয়ে কোরআনের একটি অক্ষরের সমতূল্য হতে পারবে না। 

হে টাকলা তোমার দল বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম মুছে ফেলার দূর্সাহস কোথায় পেলো, তোমরা কি জানো বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম লিখতে কয়টি বর্ণ বা কয়টি শব্দ লাগে।

হে টাকলা অনেক হয়েছে তোমাদের কান্নাকাটি অনেক সহ্য করেছি তোমাদের ভন্ডামি। কেদে কেটে স্বাধীনতার গল্প বলো, আর মুসলমানদের উপর জঘন্য ভয়ঙ্কর মিথ্যা অপকর্মের দায় চাপিয়ে বিশ্বের কাছে ছোট করো। চালিয়ে যাও কুত্তালীগের অন্যায় অত্যাচার।

হে টাকলা মুরাদ তোমার অন্যায়ের কোন ক্ষমা নেই। ফেরাউনকে যেমন নীল নদে ডুবে মারা হয়েছিল, তোমাকে নীল নদে নয় বুড়িগঙ্গায় ডুবিয়ে হত্যার দাবি জানাই সমগ্র মুসলিম জাতীর কাছে।


১৮ অক্টোবর, ২০২১

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছেন স্বাধীন বাংলার মীরজাফর

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছেন স্বাধীন বাংলার মীরজাফর

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছে স্বাধীন বাংলার মীরজাফর। এ কেমন বিচার?




এবার মীরজাফরকে হার মানিয়ে দিলেন বাংলাদেশের আওয়ামীলীগ সরকার। 

আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রথমে বিরোধী দলীয় নেতাদের উপর ক্ষিপ্ত হন। তাদের নামে মামলা মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের কাউকে হত্যা করে। কাউকে দেশ ছাড়া করে। আর বাকি যারা দেশে ছিলো তাদের উপর নিজেদের অপকর্মের দায় চাপিয়ে দেন। 

এর ফলে এদের অপকর্ম দিন দিন বেড়েই চলে। তারা চুরি ডাকাতি খুন গুম ধর্ষণ সবধরনের অপকর্মে লিপ্ত হয়। এবং রাজাকার, আই এস, জামাত শিবির এর কথা বলে প্রতিবাদ রোধ করে। এর পর এরা ইতিহাস বিকৃত করতে করতে নতুন ইতিহাসে জন্ম দেয়।

এবার তারা নিজেদের সর্বশক্তিমান ভাবতে শুরু করে। জনগনের স্বাধীনতা ছিনিয়ে নেয়। এবং নতুন ইতিহাসের বোঝা জনগণের উপর চাপিয়ে দেয়।

মুসলমানগণ এই ইতিহাসকে প্রত্যাখ্যান করেন। তার ফলে বিভিন্নভাবে এদের দ্বারা হয়রানির স্বীকার হতে হয়।  রাজাকার, জামাত শিবির, আই এস এর কথা বলে মুসলমানদের জঙ্গি প্রমাণ করার অপচেষ্টা করে। তবুও মুসলমান ইসলামকে ছাড়তে নারাজ।

তাই এরা এবার ইসলামকে চিরতরে মুছে দেয়ার জন্য প্রথমে ইসলামকে বিকৃত করে (ধর্ম যার যার উৎসব সবার) হিন্দু ভাইদের প্রতি গভীর প্রেম দেখান। তাদের পূজায় অংশ নেন এবং সেখানে গন্ডগোল পাকিয়ে ইসলাম প্রেমি মানুষের সাথে বিরোধীতার সৃষ্টি করে দেন।

আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীগণ আরও  দাবি করেন, বি এন পি এবং এরশাদ সরকারের সময় নাকি হিন্দুদের উপর বেশি অন্যায় অত্যাচার চালানো হয়। 

কিন্তু দেখুন এই হিন্দু ভাই কি বলেন



আওয়ামীলীগ একটি অভিশপ্ত দল, এই দলটি হলো আওয়ামী মুসলিম লীগের বিকৃত রূপ। এদের দু-মুখি আচরণ, অন্যায়, অত্যাচার, আত্মপ্রচার এগুলো সহ্য করতে না পেরে অনেক সত্যিকার দেশ প্রেমিক এই দলটি ত্যাগ করেছেন।


আওয়ামীলীগ সরকারের বিচার পদ্ধতি যা জানলে আপনি কখনো বিচার চাইবেন না

আওয়ামীলীগ সরকারের বিচার পদ্ধতি যা জানলে আপনি কখনো বিচার চাইবেন না

আওয়ামীলীগ সরকারের বিচার পদ্ধতি যা জানলে আপনি কখনো বিচার চাইবেন না




আওয়ামীলীগ সরকার দেশে নাকি ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করেছেন। আই এস, জামাত শিবির, বি এন পি, এবং পাকিস্তানি রাজাকার নাকি এদের শান্তি শৃঙ্খলায় ব্যাঘাত ঘটায়। দেশের উন্নতি নাকি এরা সহ্য করতে পারেনা। মেনে নিলাম।

যখন চাল ডাল টিন জনগণের সম্পদ মেরে খাওয়া হয় তার অভিযোগ করা হলে এটি বি এন পির ষড়যন্ত্র মেনে নিলাম। 

কিন্তু যখন আওয়ামীলীগের অপকর্মের প্রমাণ দেখানো হয় তখন তারা অপকর্মের বিচার বাদ দিয়ে প্রমাণ কোথায় পেলো, সে কোন দল করে, আই এস এর সদস্য নাকি, তার বাবা জামাত শিবির করে, নাকি রাজাকার ছিল সেই গুলো নিয়েই তদন্ত করা হয়। এবং তাকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে অত্যাচার করেন।

যদি কোনো কারণে তাকে (বিচার প্রার্থীকে) রিমান্ডে নেওয়া সম্ভব না হয় তাহলে বলা হয়। আমরা বি এন পির থেকে কম লুটপাট করছি।

জনগণের উপর শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান ঋণের বোঝা স্বরূপ চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে। জোরপূর্বক টেলিভিশনে পর্দায় এবং প্রতিটি ঘরে ঘরে তার ছবি রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কিন্তু প্রকৃত স্বাধীনতার ইতিহাস ভিন্ন আওয়ামীলীগ সেটি গোপন করেছে।

বর্তমানে ডিজিটাল আইনের আবির্ভাব করে বাংলাদেশের মানুষের কথা বলার অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। জনগণ তাদের মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে না। চামচামি আর  দালালি ছাড়া জাতীয় গনমাধ্যমে কিছুই প্রচার করা হয় না। কোনো কিছু প্রচার করতে হলে সরকারের অনুমতি নিতে হয়। 

তার প্রভাব সোস্যাল মিডিয়াতেও বিস্তার করা হয়েছে। সরকার বিরোধী প্রতিবাদী পোস্ট করা হলে তাকে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু ইসলাম বিরোধী পোস্ট করা হলে তখন নিরবতা পালন করা হয়।

ধর্মীয় ব্যাপারে আওয়ামীলীগ একই বিচার ব্যবস্থা জারি রেখেছেন। তবে হিন্দু ধর্ম তাদের কাছে একটু বেশিই প্রিয়। হিন্দুদের সাথে মিলে মিশে পূজা উৎসব পালন করেন। এবং শেখ মুজিবুর এর মূর্তি বানিয়ে তার চর্চা করেন।

কোরআন অবমাননার জন্য এখনো কারো শাস্তি হয়নি। কিন্তু তার প্রতিবাদ করায় মুসলমানদের গ্রেফতার করা হয়েছে এবং গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। 

ইসলাম বিরোধী হিংস্র বক্তব্য প্রকাশ করা হলে। তা নিয়ে এদের কিছু করার বা বলার থাকে না। মুসলমানরা সক্রিয় হলে তখন আর এরা বসে থাকতে পারে না। সরাসরি অস্ত্র নিয়ে মুসলমানদের ওপর হামলা চালায়।

কারা এই ইসলাম বিরোধী প্রতিহিংসা পরায়ন উষ্কানীমূলক বক্তব্য প্রদান করে তারা কারা, কেন এগুলো করে তা জানতে চাওয়া হয় না। বলা হয় সামান্য ফেইসবুক লাইভ নিয়ে মুসলমান উগ্রবাদ জঙ্গিরা হিন্দুদের আঘাত করেছেন। তাদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করেছে তার উপযুক্ত বিচার হওয়া উচিত।


ভারতকে প্রধান মন্ত্রীর হুশিয়ারি এবং জনগণের প্রতিক্রিয়া

ভারতকে প্রধান মন্ত্রীর হুশিয়ারি এবং জনগণের প্রতিক্রিয়া

ভারতকে প্রধান মন্ত্রীর হুশিয়ারি এবং জনগণের প্রতিক্রিয়া




সোস্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে শোনা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী ভারতকে সতর্ক থাকতে বলেছেন। বলেছেন সেখানে তারা এমন কিছু যেনো না করেন যে তার কুপ্রভাব বাংলাদেশ পরে।


প্রতিক্রিয়া: এই সংবাদটি শোনার পরে মুসলমানরা অত্যন্ত আনন্দিত এবং হাসিনা ভক্ত হয়ে গেছেন। এটাই স্বাভাবিক এই প্রথম তিনি বাংলার জনগণের একটি মনের কথা বলেছেন।


আমি মুসলমান ভাইদের বলছি এতে আপনাদের খুশি হওয়ার কিছু নেই। এই কথা শুধু বলা হয়েছে কাজের প্রতিফলন আমরা দেখতে পাচ্ছি না। 


  • আমাদের যে ভাই কোরআন অবমাননার প্রতিবাদ করার জন্য ডাক দিয়ছিলেন তিনি কিন্তু এখনো জেলখানায়। 
  • যে ভাইয়েরা প্রতিবাদ করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে জীবন দিয়েছেন, কেন তাদের উপর নির্বিচারে গুলি চালানো হয়েছিল, তাদের জন্য কি ব্যাবস্থা নিয়েছেন?
  • টাকলা মুরাদ যে ইসলাম বিরোধী কথা বলেছে তার কি শাস্তি হয়েছে।
  • এই ইস্যু নিয়ে কয়টি হিন্দুকে গ্রেফতার করেছেন, মুসলমানদের উপর কি কোন হামলা করা হয়নি।
  • হিন্দু নরপশু সন্ত্রাসী যে এই বক্তব্য দিয়েছেন তারজন্য তার সরকার কি শাস্তিমূলক ব্যাবস্থা নিয়েছেন। আপনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে এর কি প্রতিবাদ জানিয়েছেন। 


বর্তমান সরকারের বৈশিষ্ট্যঃ   স্বার্থে জন্য যখন তখন নিজের রূপ পরিবর্তন করেন। ইসলাম বিরোধী কাফের, মুনাফিক দের কি বিশ্বাস আছে? আমি মনেকরি এটি আপনাদের নতুন একটি পরিকল্পনা।


পরিকল্পনা উদ্দেশ্য

  • আপনার এই মুসলিম দরদী কথা শুনে মুসলমান আপনার ভক্ত হয়ে যাবে। ভুলে যাবে ইসলামের জন্য শহীদ হওয়া ভাইদেরকে।
  • আপনারা যে হত্যাকাণ্ড চালিয়েছেন তার কেউ কোন প্রতিবাদ করবেনা বিচার চইবেনা।
  • মুসলমানরা যখন স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে, সচেতন থাকবেনা, তখন যারা এই প্রতিবাদে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তাদেরকে হত্যা করবেন।



কুমিল্লার নানুয়া দিঘির পাড় পূজা কেন্দ্রে মূর্তির পায়ে কোরআন এটি দূরসাহস নাকি ষড়যন্ত্র

কুমিল্লার নানুয়া দিঘির পাড় পূজা কেন্দ্রে মূর্তির পায়ে কোরআন এটি দূরসাহস নাকি ষড়যন্ত্র

কুমিল্লার নানুয়া দিঘির পাড় পূজা কেন্দ্রে মূর্তির পায়ে কোরআন এটি দূরসাহস নাকি ষড়যন্ত্র। ষড়যন্ত্র হলে কাদের ষড়যন্ত্র, এর সাথে রাষ্ট্র ধর্ম থেকে ইসলামকে মুছে ফেলার সম্পর্ক কি?




কুমিল্লা নানুয়ার  মূর্তির পায়ে কোরআন এটা হিন্দুদের দূর সাহস হতে পারে। কারণ বাংলাদেশে সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম থাকা স্বত্ত্বেও তারা নীপিড়িত, নির্যাতিত। মুসলমানদের রাজাকার, জামাত শিবির বলে বৈধ এবং অবৈধ ভাবে হত্যা করা হয়। একাত্তরে নাইবা গেলাম। আবরার হত্যার বিষয়টি বিবেচনা করুন, নামাজ পড়ার জন্য, মানুষকে নামাজের দাওয়াত দেওয়ার জন্য তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। বলা হতে পারে তার সঠিক ন্যায় বিচার করা হয়েছে। তাহলে আমি বলবো ন্যায় বিচারের সঙ্গা জানেন? বিচারক হবার জন্য বিচার নয়। অপরাধের পুনরাবৃত্তি যেন না হয় তার জন্যই বিচার। আজও মুসলমানদের জঙ্গি উগ্রবাদী বলা হয় এর থেকেই এরা এই দুর্সাহস পেয়েছে।


এটা যদি ষড়যন্ত্র হয়ে থাকে তাহলে ষড়যন্ত্র কারা করেছে, আর আপনারা রাষ্ট্র ধর্ম ইসলামকে বিলুপ্ত করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন কেন, এতে আপনাদের সার্থ কি।


কেন কুরআন অবমাননার শাস্তি দাবি করায় মামলা খেতে হলো। কেনো তাকে জামাত শিবির সন্দেহ করা হলো? সকলেইতো আপনাদের মতো বেঈমান না। আপনাদের যেমন মূর্তি ভাঙ্গলে জ্বলে। আমরা তো আপনাদের র এর এজেন্ট বলিনা। তাহলে আমরা কোরআন অবমাননা করার জন্য কষ্ট পেলে কেনো আমাদের জঙ্গি, রাজাকার মৌলবাদী বলে আমাদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালিয়ে আমাদের হত্যা করেন। আপনারা তো প্রমাণ ছাড়াই মুসলমানদের গ্রেফতার করেন। তারপর অন্যায় ভাবে যোরপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায় করেন।


আমরা অন্যায় তুলে ধরলে সেটি বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করে, ডিজিটাল আইনে মামলা খেতে হয়। আর হিহিন্দুরা অপপ্রচার করলে তাদের কোলে নিয়ে দুদু খাওয়ান।তাদের খুশি করতে ইসলাম বিরোধী বক্তব্য দেন। কেন এর কারন কি? এর কারন হলো আপনারা কোরআন বিরোধিতা করেন। তার কারন এখানে ক্লিক করে মিলিয়ে নিন।


এটা দূর্সাহস হলে তা আপনাদের (আওমিলীগের) কাছ থেকে পেয়েছে। আর ষড়যন্ত্র হলে এটা আওমিলীগের ইসলাম বিরোধী এবং দেশ থেকে ইসলাম তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্র।



টাকলা চ্যালেঞ্জ

টাকলা চ্যালেঞ্জ

টাকলা চ্যালেঞ্জ




হে টাকলু তোমাকেই বলছি, তুমি বলেছ শেখ মজিবের বাংলাদেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ এখানে কেউ কোরআন হাদিসের ব্যাখ্যা দিতে পারবেনা, দাড়িওয়ালা দের সেভ করে দিবে, মোবাইলে ওয়াজ বাজানো হলে লাথি মেরে ফেলে দিবে। হে টাকলু মুরাদ তোমার জন্য ভাষা খারাপ করতে বাধ্য হচ্ছি, আল্লাহ মাপ করুন, হে টাকলু বঙ্গবন্ধু কি গুয়ামারা দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছে। তাকে পাকিস্তানিরা ধরে নিয়ে গিয়ে গুয়ামেরেছে তুমি কি দেখেছো। নাকি ৩০ লক্ষ মানুষের জীবনের বিনিময়ে দেশ স্বাধীন হয়েছে। দেশ প্রেম ঈমানের অঙ্গ। ইসলাম দেশকে ভালোবাসতে শিখিয়েছে। তুমি দেশ থেকেই ইসলাম তুলে দিবে? পারলে তুমি ৭২ রে ফিরে গিয়ে মরা বাপকে তুলে জীবিত করে দেশ থেকে চিরতরে ইসলাম মুছে ফেলে দেখাও।